ঢাকা ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নাজমা বেগম নাজু’র কবিতা || নাক্ষত্রিক প্রার্থনায় উচ্চারিত

  • আপ : ১২:২৮:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৮৩ ভিউ :

নাক্ষত্রিক প্রার্থনায় উচ্চারিত

নাজমা বেগম নাজু

 

বছর শেষ হয়

ক্ষয়ে যায় অস্তপাড়ের চাঁদ

পুরোনো সূর্যের কাছে ঠাঁই খোঁজে স্বাগত দিন

দিনহারা বছরের বুক জোড়া শূণ্যতা মুছাতে  সূর্যস্নেহা দিন আগমনী লোকালয়ে

চিহ্ন রাখে বসতি বছরের।

সেও জানে দিন শেষে- অভিমানী বছরের

বুক হতে ঝরে যাবে -ক্ষয়ে যাবে দিনের সময়।

সব ভুলে তবুও ধুলিতলে ঐশ্বর্যের আয়োজনে

আসে সুষ্মিত সুসময় – অদেখা নীলাভ প্রহর।

সব হৃদয়ের মন ঘরে অনায়াসে বসত গড়ে,,

স্বাগত বছরের দিন-।  চেনা জানার সীমা জুড়ে

আত্মার স্পন্দিত ধ্বণিত প্রতিধ্বণি হয়।

মোহময় জোছনার, পাতাদের,  ফুলেদের

স্মৃতিময় স্বাক্ষর হয়।

হারাবে জেনেও সর্বস্ব  নিয়ে

জীবনের কাছে আসা,  জীবনের আলো হয়ে জীবনকে চেনা

অপলক জড়িয়ে নেয়া – বছর জোড়া প্রার্থনা প্রতিবছরের তবুও।

তবুও শুরু হয় অদেখা দিনসম্ভার

অনায়াসে অকপটে

নতুন জন্মের অংগীকারে , – নিশ্চিত জানে নিশ্চিহ্ন হবেই

সময়ের খরস্রোতে–

তবুও কি অস্হির আগমনী তার।

প্রতিবছর নতুন করে জন্ম নেয়া

সবুজ অবুঝ বছরগুলো যেন

জন্মান্ধ মানুষের মতই আচরণ করে –

নিশ্চিহ্ন হবে, ধুলোয় মিশে যাবে জেনেও

মানুষের কত শত আয়োজন;

কতবার বেহিসেবী নাক্ষত্রিক প্রার্থনায়

উচ্চারিত মানব জন্মের ইতিহাস!

নাজমা বেগম নাজু’র কবিতা || নাক্ষত্রিক প্রার্থনায় উচ্চারিত

আপ : ১২:২৮:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

নাক্ষত্রিক প্রার্থনায় উচ্চারিত

নাজমা বেগম নাজু

 

বছর শেষ হয়

ক্ষয়ে যায় অস্তপাড়ের চাঁদ

পুরোনো সূর্যের কাছে ঠাঁই খোঁজে স্বাগত দিন

দিনহারা বছরের বুক জোড়া শূণ্যতা মুছাতে  সূর্যস্নেহা দিন আগমনী লোকালয়ে

চিহ্ন রাখে বসতি বছরের।

সেও জানে দিন শেষে- অভিমানী বছরের

বুক হতে ঝরে যাবে -ক্ষয়ে যাবে দিনের সময়।

সব ভুলে তবুও ধুলিতলে ঐশ্বর্যের আয়োজনে

আসে সুষ্মিত সুসময় – অদেখা নীলাভ প্রহর।

সব হৃদয়ের মন ঘরে অনায়াসে বসত গড়ে,,

স্বাগত বছরের দিন-।  চেনা জানার সীমা জুড়ে

আত্মার স্পন্দিত ধ্বণিত প্রতিধ্বণি হয়।

মোহময় জোছনার, পাতাদের,  ফুলেদের

স্মৃতিময় স্বাক্ষর হয়।

হারাবে জেনেও সর্বস্ব  নিয়ে

জীবনের কাছে আসা,  জীবনের আলো হয়ে জীবনকে চেনা

অপলক জড়িয়ে নেয়া – বছর জোড়া প্রার্থনা প্রতিবছরের তবুও।

তবুও শুরু হয় অদেখা দিনসম্ভার

অনায়াসে অকপটে

নতুন জন্মের অংগীকারে , – নিশ্চিত জানে নিশ্চিহ্ন হবেই

সময়ের খরস্রোতে–

তবুও কি অস্হির আগমনী তার।

প্রতিবছর নতুন করে জন্ম নেয়া

সবুজ অবুঝ বছরগুলো যেন

জন্মান্ধ মানুষের মতই আচরণ করে –

নিশ্চিহ্ন হবে, ধুলোয় মিশে যাবে জেনেও

মানুষের কত শত আয়োজন;

কতবার বেহিসেবী নাক্ষত্রিক প্রার্থনায়

উচ্চারিত মানব জন্মের ইতিহাস!