বর্ণিল বোশেখের নিংড়ানো রোদকণা পায়ে পায়ে
আকাশ ছোঁয়া বিকেল শেষের রংধনু হয় –
হতে চায় নিমগ্ন রং সব মানুষের , সারা পৃথিবীর ;
ছয় ঋতুর অবকাশ – অবশেষ হয়েছে যখন
নিগূঢ় তারায় তারায় -।
জীবন শুরুর চিৎকার যেন, যেন মাতৃজঠর ছিঁড়ে বাইরে আসার প্রথম জয়ধ্বণি।
আকাশ আর পৃথিবী একাকার হওয়া
দিগন্ত ধুলোর পদধ্বনি। এই বোশেখের কাছেই
নতজানু হই বারবার তাই,– তৃষ্ণাতুরের মত
শ্রাবণী জলধারা চাই
শারদী কাশফুলের রংমাখা গোলাপ সম্ভারের
মেঘ চাই অহর্নিশ, হেমন্তিকা ঐশ্বর্যের
ফসলী মগ্নতা চাই,
শীত ফোটা বরই ফুলের নরম কুয়াশা চাই,
দক্ষিণা বাতাসে ডানা মেলা বসন্ত চাই –
আরো যে কত শত কিছু চাই —
পৃথিবীর পরতে মন মেলা প্রতি বিন্দু ধুলিকণা
ধারন করেছে ঋদ্ধ সে অংগীকার।
















