কি আশ্চর্য এই বিশ্বজগৎ,
চোখ মেলে দেখি চারিধার,
গ্রহ সে গোল, নক্ষত্রও গোল,
চাঁদ-সূর্যও গোলে একাকার।
গ্যালাক্সিরা যোজন দূর আকাশে
ঘূর্ণি তুলে চলে ফিরে গোলাকার,
গোল গঠনই প্রকৃতির প্রথম ছবি
সৃষ্টির রহস্য যেন গোলেরই আধার।
তাই কি তবে গোলের প্রতি
এত টান মানুষের অন্তপ্রাণে?
তাই কি একটি ছোট্ট গোল বলও
ঝড় তোলে কোটি কণ্ঠের গানে?
মেসির পায়ে জাদুর ছোঁয়ায়
বলটি যখন জালে জড়ায়,
আকাশ-বাতাস কেঁপে উঠে—
“গোল! গোল!” উন্মাদনায়।
অথচ জালে তো ঢোকে বল
গোল তো ঢোকে না জালে,
তবু কেন গোল বলে চিল্লাই
হয়েছে বল! বল!- না বলে!
হয়তো প্রকৃতির সৃষ্টির গভীরে
গোপন ইশারাই আছে তাতে,
গোল মানেই যেন পূর্ণতা, প্রাপ্তি,
স্বপ্ন পূরণ প্রতিটি প্রভাতে।
বিশ্বকাপে তাই গোলার্ধ পেরিয়ে
চলছে আজ গোল বলের খেলা,
একটি শব্দ “গোল” হয়ে উঠেছে
মানবজাতির উষ্ম মিলন মেলা।
যেন সৃষ্টির আদিলগ্ন থেকেই
সবখানেই গোলেরই জয়ধ্বনি,
বিশ্বব্রহ্মাণ্ড থেকে মানুষের হৃদয়—
যেন একই বৃত্তের গল্পকাহিনী।
গোলের সেই গোলকধাঁধায়,
আমরা সবাই খাচ্ছি ঘুরপাক,
মেসির পায়ের একটু ছোঁয়ায়
শুধু গোল নয়, অস্ত্র যুদ্ধও নিপাত যাক।
২২ জুন, ২০২৬।












