হঠাৎ সাক্ষাতে সেদিন তুমি
বলেছিলে বেশ,
আজও স্মৃতির পাতায় শিহরণ জাগায়,
দেখেছি বাচনে তোমার বিনয় অতিশয়,
দু হাত আগলিয়ে টানা টানা চোখে,
করুন কণ্ঠে তুমি করেছিলে আবদার,
আকুতির সুরে;
রেশমি কাপড়ে বাদামী কেশরে,
পদ্মার বুকে জেগে ওঠা চরে সেদিন
কাশফুলের উদাসী জাগরণে,
একাকার ছিলে তুমি ৷
তোমার হাসিতে দেখেছি
রংধনু মাখা স্বপ্নরাজি যেন
খেলে লুকোচুরি খেলা,
তোমার বায়না ছিল সেদিন কেবল
হৃদয় ছুয়ে স্বপ্ন আকা ৷ গোধুলীর নিসর্গ আর
পূর্ণিমার জ্যোছনায় যেন মেলে সেদিন
মোহমুক্তির নিখাদ স্বাদ।
শহর বন্দরে আর পাহাড়ি নগরের গায়
বিভাষিত মননে কত কথোপকথনে,
খেয়া তরীর খুপরিতে সেদিন
কাটে বেশ মুক্তির অবগাহনে।
অযথা অপলাপে ছিল না কোন প্রলাপ
কেবল চেয়েছিলে অপলকে,
স্মৃতি হয়ে যেন থাকে সে সাক্ষাৎ,
ভেবেছিলাম বজ্রপাতেও সে চাহনি
মলিন হবার নয়,
তবুও ছিল ভয়, আমি নিরংকুশ নিরুপায়
দুমুঠো আহারের আরাধনায়
নিরন্তর ছুটে চলা এই আমি হতে পারিনি কভু অকুতোভয়,
সেদিন পারিনি বলতে তাই-
তুমি আছ আমার ভালবাসায়,
আমার চিন্তা ও চেতনায়…









