ঢাকা ০৫:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাজমা বেগম নাজু’র কবিতা || বিশ্বকবির জন্মদিনে

  • আপ : ০৪:৫২:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬
  • ১৭ ভিউ :

 

যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে

তবে বিজন ঘরের নিঝুৃম কোনে

আশির্বাদী দুহাত নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন রবীন্দ্রনাথ।

ঘোর শ্রাবণে জমকালো মেঘ,

জলবতী আকাশ যখন ধরার ধুলোয়

রবিঠাকুর প্রথম মেঘের বৃষ্টিভেজা কদম শাখার

ফুলটি নিয়ে অপেক্ষাতে প্রহর গোনেন।

মনটা তখন শ্রাবণ মেঘের সংগী হতে দুর দিগন্তে ওড়ায় ডানা ,

চেয়ে দেখো রিমি ঝিমি মেঘের খেয়ায় বৈঠা টানেন রবীন্দ্রনাথ। তুমি বিহ্বলতায় সংকুচিত?

কঠোর কন্ঠে রবীন্দ্রনাথ — একশ একাই  বলছে শোনো – আর কোরোনা আত্ম অপমান।

মনে রেখো বলেছিলেন – বৎছরের আবর্জনা দুর হয়ে যাক যাক— মুছুক গ্লানি ঘুচুক জরা – এমন করে কেউ কি কখন বলেছিল উদারতায়?

মুক্ত স্বাধীন ভালবাসাই পূর্ণ অনেক- রবিঠাকুর বলছিলেন- হেথা সুখ যদি নাহি পাও,  যাও সুখেরই সন্ধানে যাও” – বলেছিলেন  হৃদয় নিবিড় উদারতায়।

জোছনা বনে পরাগ ঝরা চাঁদের কণায় মনটা যখন উড়ু উড়ু – সবার সাথে মন মেলাতে রবীন্দ্রনাথ যাননি বনে অবাক চাঁদের রাতে।

বলেছিলেন যদি আমায় পড়ে তাহার মনে- যাব না ঐ জোছনা পরাগ বনে।

ফুলে ফুলে বাসন্তিকায় মুগ্ধ কবি গেয়েছিলেন – কি জানি কি কিসের লাগি প্রাণ করে হায় হায়”– এই হাহাকার জীবন বেলার পূর্ণতা যে লক্ষ কোটি কাব্য বেলার,

যখন আকাশ সীমার নক্ষত্র রাজ মুঠোয় ভরি বিশ্বকবি হৃদয় গহীন অহংকারে গেয়ে ওঠেন- সবই মোর প্রাণ হয়ে প্রকাশে- আজি যত তারা তব আকাশে।

নাজমা বেগম নাজু’র কবিতা || বিশ্বকবির জন্মদিনে

আপ : ০৪:৫২:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

 

যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে

তবে বিজন ঘরের নিঝুৃম কোনে

আশির্বাদী দুহাত নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন রবীন্দ্রনাথ।

ঘোর শ্রাবণে জমকালো মেঘ,

জলবতী আকাশ যখন ধরার ধুলোয়

রবিঠাকুর প্রথম মেঘের বৃষ্টিভেজা কদম শাখার

ফুলটি নিয়ে অপেক্ষাতে প্রহর গোনেন।

মনটা তখন শ্রাবণ মেঘের সংগী হতে দুর দিগন্তে ওড়ায় ডানা ,

চেয়ে দেখো রিমি ঝিমি মেঘের খেয়ায় বৈঠা টানেন রবীন্দ্রনাথ। তুমি বিহ্বলতায় সংকুচিত?

কঠোর কন্ঠে রবীন্দ্রনাথ — একশ একাই  বলছে শোনো – আর কোরোনা আত্ম অপমান।

মনে রেখো বলেছিলেন – বৎছরের আবর্জনা দুর হয়ে যাক যাক— মুছুক গ্লানি ঘুচুক জরা – এমন করে কেউ কি কখন বলেছিল উদারতায়?

মুক্ত স্বাধীন ভালবাসাই পূর্ণ অনেক- রবিঠাকুর বলছিলেন- হেথা সুখ যদি নাহি পাও,  যাও সুখেরই সন্ধানে যাও” – বলেছিলেন  হৃদয় নিবিড় উদারতায়।

জোছনা বনে পরাগ ঝরা চাঁদের কণায় মনটা যখন উড়ু উড়ু – সবার সাথে মন মেলাতে রবীন্দ্রনাথ যাননি বনে অবাক চাঁদের রাতে।

বলেছিলেন যদি আমায় পড়ে তাহার মনে- যাব না ঐ জোছনা পরাগ বনে।

ফুলে ফুলে বাসন্তিকায় মুগ্ধ কবি গেয়েছিলেন – কি জানি কি কিসের লাগি প্রাণ করে হায় হায়”– এই হাহাকার জীবন বেলার পূর্ণতা যে লক্ষ কোটি কাব্য বেলার,

যখন আকাশ সীমার নক্ষত্র রাজ মুঠোয় ভরি বিশ্বকবি হৃদয় গহীন অহংকারে গেয়ে ওঠেন- সবই মোর প্রাণ হয়ে প্রকাশে- আজি যত তারা তব আকাশে।