ঢাকা ১১:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গত ৬ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেলে রূপগঞ্জ উপজেলা মিলনায়তনে অত্যন্ত ঝাঁকজমকভাবে অনুষ্ঠিত হল রূপগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের ৮০তম সাহিত্য সভা

  • আপ : ০৮:৫০:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪৪ ভিউ :

গত ৬ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেলে রূপগঞ্জ উপজেলা মিলনায়তনে অত্যন্ত ঝাঁকজমকভাবে অনুষ্ঠিত হল রূপগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের ৮০তম সাহিত্য সভা ও পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম প্রিয় রচিত কাব্যগ্রন্থ ‘নীরবতার অবসান’ এর প্রকাশনা উৎসব। পরিষদের সভাপতি কবি আলম হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সাইফুল ইসলাম জয় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারি কর্মকর্তা (ভূমি) ফরিদ আল সোহান, রূপগঞ্জ থানার ওসি এ এইচ এম সালাহউদ্দিন, শিক্ষা কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দিকী, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাহিত্যানুরাগী গোলাম ফারুক খোকন, পরিষদের উপদেষ্টা অধ্যক্ষ আবদুল আউয়াল মোল্লা, দৈনিক যুগান্তরের সিনিয়র সাব-এডিটর বই প্রেমিক এমদাদ হোসেন ভুইয়া ও প্রধান আলোচক ছিলেন পরিষদের উপদেষ্টা অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর মালুম। আরো বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সাংবাদিক নেতা সাত্তার আলী সোহেল, মাসুদ করিম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন কবি রলি আক্তার ও সোহেল। অনুষ্ঠান ছিল দুই পর্বে বিভক্ত। প্রথম পর্বে প্রকাশনা উৎসব দ্বিতীয় পর্বে লেখা পাঠ।
প্রকাশনা উৎসবকে কেন্দ্র করে দক্ষ আলোচকদের আলোচনায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ছোট খাট একটা সেমিনার। গোলাম ফারুখ খোকন বলেন, মায়ের মুখের ছড়া শুনে শিশু খায়,ঘুমায়। তারপর সেই শিশু
যখন খেলতে শিখে তখন সে খেলতে খেলতে ছড়া কাটে। তিনি বলেন একটা শিশু সাহিত্য ও সংস্কৃতির আবহে গড়ে ওঠে। ওসি বলেছেন, যে সমাজে সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চা হয় সে সমাজের যুবকরা
বিপথগামী হয় না। মাদক ও অপসংস্কৃতি রোধ করতে হলে আমাদের সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চা বাড়াতে হবে। সহকারি কমিশনার মাহবুব আলম প্রিয়র সাহিত্যে ও সাংবাদিকতার প্রশংসা করে তার সাফল্য কামনা করেন। দুই অধ্যক্ষ কিভাবে এই সাহিত্য পরিষদ ধীরে ধীরে
এগিয়ে যাচ্ছে তা তুলে ধরেন এবং তাদের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা বলেন। প্রধান অতিথি তার আলোচনায় অত্যন্ত চমৎকারভাবে উদাহরণসহ বুঝিয়ে
দেন একটা উপন্যাস কিভাবে মানুষের জীবনকে ঘুরিয়ে দেয়। তিনি গোলাম ফারুক খোকনের প্রস্তাবে উপজেলা শহরে একটি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবেন বলে জানান। সব মিলিয়ে আলোচনা পর্ব ছিল প্রাণবন্ত এবং উৎসাহ ব্যঞ্জক। পরে সদস্যদের লেখা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

গত ৬ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেলে রূপগঞ্জ উপজেলা মিলনায়তনে অত্যন্ত ঝাঁকজমকভাবে অনুষ্ঠিত হল রূপগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের ৮০তম সাহিত্য সভা

আপ : ০৮:৫০:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গত ৬ সেপ্টেম্বর রোববার বিকেলে রূপগঞ্জ উপজেলা মিলনায়তনে অত্যন্ত ঝাঁকজমকভাবে অনুষ্ঠিত হল রূপগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের ৮০তম সাহিত্য সভা ও পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম প্রিয় রচিত কাব্যগ্রন্থ ‘নীরবতার অবসান’ এর প্রকাশনা উৎসব। পরিষদের সভাপতি কবি আলম হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব সাইফুল ইসলাম জয় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা সহকারি কর্মকর্তা (ভূমি) ফরিদ আল সোহান, রূপগঞ্জ থানার ওসি এ এইচ এম সালাহউদ্দিন, শিক্ষা কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দিকী, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাহিত্যানুরাগী গোলাম ফারুক খোকন, পরিষদের উপদেষ্টা অধ্যক্ষ আবদুল আউয়াল মোল্লা, দৈনিক যুগান্তরের সিনিয়র সাব-এডিটর বই প্রেমিক এমদাদ হোসেন ভুইয়া ও প্রধান আলোচক ছিলেন পরিষদের উপদেষ্টা অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর মালুম। আরো বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সাংবাদিক নেতা সাত্তার আলী সোহেল, মাসুদ করিম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন কবি রলি আক্তার ও সোহেল। অনুষ্ঠান ছিল দুই পর্বে বিভক্ত। প্রথম পর্বে প্রকাশনা উৎসব দ্বিতীয় পর্বে লেখা পাঠ।
প্রকাশনা উৎসবকে কেন্দ্র করে দক্ষ আলোচকদের আলোচনায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ছোট খাট একটা সেমিনার। গোলাম ফারুখ খোকন বলেন, মায়ের মুখের ছড়া শুনে শিশু খায়,ঘুমায়। তারপর সেই শিশু
যখন খেলতে শিখে তখন সে খেলতে খেলতে ছড়া কাটে। তিনি বলেন একটা শিশু সাহিত্য ও সংস্কৃতির আবহে গড়ে ওঠে। ওসি বলেছেন, যে সমাজে সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চা হয় সে সমাজের যুবকরা
বিপথগামী হয় না। মাদক ও অপসংস্কৃতি রোধ করতে হলে আমাদের সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চা বাড়াতে হবে। সহকারি কমিশনার মাহবুব আলম প্রিয়র সাহিত্যে ও সাংবাদিকতার প্রশংসা করে তার সাফল্য কামনা করেন। দুই অধ্যক্ষ কিভাবে এই সাহিত্য পরিষদ ধীরে ধীরে
এগিয়ে যাচ্ছে তা তুলে ধরেন এবং তাদের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা বলেন। প্রধান অতিথি তার আলোচনায় অত্যন্ত চমৎকারভাবে উদাহরণসহ বুঝিয়ে
দেন একটা উপন্যাস কিভাবে মানুষের জীবনকে ঘুরিয়ে দেয়। তিনি গোলাম ফারুক খোকনের প্রস্তাবে উপজেলা শহরে একটি লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করবেন বলে জানান। সব মিলিয়ে আলোচনা পর্ব ছিল প্রাণবন্ত এবং উৎসাহ ব্যঞ্জক। পরে সদস্যদের লেখা পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।