সকাল থেকে রাত ছিল তার হাজারো বায়না,
আদর করে নাম দিয়েছিলাম ‘আবদারের ঝুঁড়ি’
কখনও বা আদর করে ডাকতাম বুড়ি,
সকালে চোখ খুললেই শুরু হতো বায়না,
সোহাগের আবদারে নাজেহাল অবস্থা!
আধোবোলে অগনিত প্রশ্নের পসরা,
এটা কেন হয়, ওটা কেন হয়না?
এ জামাটা ভালো না, পঁচা জামা পরবো না,
ভাত মেখে না খাওয়ালে খাওয়া তার হতো না!
ইস্কুল থেকে ফিরেই বুড়ির কোলে ওঠার বায়না,
একটু একটু করে সময় পেরিয়েছে
কমেছে হাজারো বায়নার ঝড়,
এখন ঝড় থেমে যাওয়া শান্ত পৃথিবী
আর তো কেউ তেমন করে বায়না করে না!
নিস্তরঙ্গ জীবনের নদী বয়ে যায়
জীবনের খেয়া শুধু তীরে ফেরার অপেক্ষায়!
উদাসি হাওয়ার শব্দে মনে হয় কেউ বুঝি ধরেছে বায়না
তোমাকে ছাড়া কোথাও যাবো না, তুমি সাথে চলো না!









