ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে কবিসংসদ বাংলাদেশ কর্তৃক ১২তম জাতীয় কবি সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত

  • আপ : ০৫:৩৬:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • ৪২ ভিউ :

রাজধানীর কেন্দ্রীয় কচি কাঁচা মেলা মিলনায়তনে ২৭ জুন শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে কবিসংসদ বাংলাদেশ আয়োজিত ১২তম জাতীয় কবি সম্মেলন-২০২৬।

সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে সভাপতিত্ব ও উদ্বোধনী ঘোষণা দেন কবিসংসদ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, কবি ও সমাজবিজ্ঞানী মু. নজরুল ইসলাম তামিজী।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কবিসংসদ বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক কবি তৌহিদুল ইসলাম কনক। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি সরদার তমিজউদ্দীন আহমেদ। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন গবেষক ও প্রাবন্ধিক ড. মো. আবু তাহের অ্যাডভোকেট। বিশেষ অতিথি ছিলেন কবি, গবেষক ও প্রাবন্ধিক প্রফেসর মো. আমির হোসেন।

সরদার তমিজউদ্দীন আহমেদ বলেন,’কবিসংসদ বাংলাদেশ লেখকদের বৃহৎ প্লাটফর্ম। বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় কবিদের গুরুত্ব অপরিসীম। ‘

দ্বিতীয় পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন। সভাপতিত্ব করেন কবিসংসদ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব রাজু আলীম।

রেজাউদ্দীন স্টালিন বলেন, ‘সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে জাতীয় পর্যায়ের এ ধরনের সম্মেলন সৃজনশীল চর্চাকে আরও বিস্তৃত করবে।’

সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কবিসংসদ বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা কবি ইমরোজ সোহেল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি হারিস মিজান, কবি আসাদ কাজল, কবি মারফিয়া খান এবং সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি কবি হালিমা বেগম।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কবি বাপ্পি সাহা এবং উপস্থাপনায় ছিলেন কবি রলি আক্তার। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন জাতীয় কবি সম্মেলনের আহ্বায়ক কবি ও সাংবাদিক আতিকুল ইসলাম, সদস্য সচিব কবি ইকবাল হোসেন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক কবি সুবর্ণা দাস।

উদ্বোধনী বক্তব্যে হোমোক্রেসি প্রবর্তক কবি ও সমাজবিজ্ঞানী মু. নজরুল ইসলাম তামিজী বলেন, ‘কবিতা কেবল শিল্পের অনুশীলন নয়; এটি সমাজের বিবেক, মানবমুক্তির ভাষা এবং ন্যায়, সাম্য ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার এক শক্তিশালী সাংস্কৃতিক আন্দোলন। বর্তমান সময়ে কবিদের দায়িত্ব কেবল কবিতা রচনা নয়, বরং সমাজে মানবিক চেতনা, অসাম্প্রদায়িকতা ও নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা।’

কবি তামিজী আরও বলেন, দেশের প্রতিটি জেলা থেকে কবিদের একত্রিত করার এই উদ্যোগ জাতীয় সাহিত্যচর্চাকে আরও গতিশীল করবে এবং নতুন প্রজন্মের সৃজনশীল বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

সম্মেলনে দেশের ৬৪ জেলা থেকে নির্বাচিত কবিদের ‘সেরা কবি সম্মাননা’ প্রদান করা হয়। উল্লেখযোগ্য সম্মাননাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন মাগুরা জেলার বৃষ্টি মিনা এবং চট্টগ্রাম জেলার মোজহারুল হান্নান। এছাড়া ‘কবিসংসদ কবিতা পুরস্কার–২০২৬’ প্রদান করা হয় কবি হাই হাফিজ-কে।

ড. আবু তাহের এডভোকেট বলেন,’কবিতা মানবিক সমাজ নির্মাণের এক গুরুত্বপূর্ণ শক্তি’।বাংলা কবিতার সমৃদ্ধ ধারাকে এগিয়ে নিতে সম্মিলিত উদ্যেগ জরুরি।’

রাজধানীতে কবিসংসদ বাংলাদেশ কর্তৃক ১২তম জাতীয় কবি সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত

আপ : ০৫:৩৬:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

রাজধানীর কেন্দ্রীয় কচি কাঁচা মেলা মিলনায়তনে ২৭ জুন শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে কবিসংসদ বাংলাদেশ আয়োজিত ১২তম জাতীয় কবি সম্মেলন-২০২৬।

সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বে সভাপতিত্ব ও উদ্বোধনী ঘোষণা দেন কবিসংসদ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, কবি ও সমাজবিজ্ঞানী মু. নজরুল ইসলাম তামিজী।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন কবিসংসদ বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক কবি তৌহিদুল ইসলাম কনক। প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি সরদার তমিজউদ্দীন আহমেদ। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন গবেষক ও প্রাবন্ধিক ড. মো. আবু তাহের অ্যাডভোকেট। বিশেষ অতিথি ছিলেন কবি, গবেষক ও প্রাবন্ধিক প্রফেসর মো. আমির হোসেন।

সরদার তমিজউদ্দীন আহমেদ বলেন,’কবিসংসদ বাংলাদেশ লেখকদের বৃহৎ প্লাটফর্ম। বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় কবিদের গুরুত্ব অপরিসীম। ‘

দ্বিতীয় পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন। সভাপতিত্ব করেন কবিসংসদ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব রাজু আলীম।

রেজাউদ্দীন স্টালিন বলেন, ‘সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে জাতীয় পর্যায়ের এ ধরনের সম্মেলন সৃজনশীল চর্চাকে আরও বিস্তৃত করবে।’

সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কবিসংসদ বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা কবি ইমরোজ সোহেল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবি হারিস মিজান, কবি আসাদ কাজল, কবি মারফিয়া খান এবং সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি কবি হালিমা বেগম।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কবি বাপ্পি সাহা এবং উপস্থাপনায় ছিলেন কবি রলি আক্তার। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন জাতীয় কবি সম্মেলনের আহ্বায়ক কবি ও সাংবাদিক আতিকুল ইসলাম, সদস্য সচিব কবি ইকবাল হোসেন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক কবি সুবর্ণা দাস।

উদ্বোধনী বক্তব্যে হোমোক্রেসি প্রবর্তক কবি ও সমাজবিজ্ঞানী মু. নজরুল ইসলাম তামিজী বলেন, ‘কবিতা কেবল শিল্পের অনুশীলন নয়; এটি সমাজের বিবেক, মানবমুক্তির ভাষা এবং ন্যায়, সাম্য ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার এক শক্তিশালী সাংস্কৃতিক আন্দোলন। বর্তমান সময়ে কবিদের দায়িত্ব কেবল কবিতা রচনা নয়, বরং সমাজে মানবিক চেতনা, অসাম্প্রদায়িকতা ও নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা।’

কবি তামিজী আরও বলেন, দেশের প্রতিটি জেলা থেকে কবিদের একত্রিত করার এই উদ্যোগ জাতীয় সাহিত্যচর্চাকে আরও গতিশীল করবে এবং নতুন প্রজন্মের সৃজনশীল বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

সম্মেলনে দেশের ৬৪ জেলা থেকে নির্বাচিত কবিদের ‘সেরা কবি সম্মাননা’ প্রদান করা হয়। উল্লেখযোগ্য সম্মাননাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন মাগুরা জেলার বৃষ্টি মিনা এবং চট্টগ্রাম জেলার মোজহারুল হান্নান। এছাড়া ‘কবিসংসদ কবিতা পুরস্কার–২০২৬’ প্রদান করা হয় কবি হাই হাফিজ-কে।

ড. আবু তাহের এডভোকেট বলেন,’কবিতা মানবিক সমাজ নির্মাণের এক গুরুত্বপূর্ণ শক্তি’।বাংলা কবিতার সমৃদ্ধ ধারাকে এগিয়ে নিতে সম্মিলিত উদ্যেগ জরুরি।’