শিরোনাম :

রীতি চাকমার কবিতা || আকাশে রেখে যাওয়া চিঠি
কোন সুদূর নক্ষত্রলোকে লুকিয়ে আছো তুমি, জানি না। শুধু জানি, আকাশের দিকে তাকালে আজও কিছু অসমাপ্ত কথা ধূমকেতুর মতো

প্রিন্সেস হাফেজা জামাল হেলালী’র কবিতা || শীত নিদ্রা
আমি ভাবতে পারি না এ বৃষ্টিতে তুমি কতটা সিক্ত হয়েছো আমার জানালার পাশে লাল কৃষ্ণচূড়ার চেয়ে তুমি কতটা রঙিন

পলক রহমান এর কবিতা || মেসি নিয়ে গোলগাথা
কি আশ্চর্য এই বিশ্বজগৎ, চোখ মেলে দেখি চারিধার, গ্রহ সে গোল, নক্ষত্রও গোল, চাঁদ-সূর্যও গোলে একাকার। গ্যালাক্সিরা যোজন দূর

পলক রহমান এর কবিতা || আত্মদহন
গরম গরম সবই গরম গরম ছাড়া নেই কথা, বাজার গরম, মানুষ গরম গরম যেন দুনিয়াটা। শুনি বলে এমন গরম

নাজমা বেগম নাজু’র কবিতা || মনকে ভেজায় অশ্রুলতায়
মেঘ কখনো যায় কি কেনা? কথা শুনো, কেন হাসো- কি যে বলো- এই যে আমি মেঘ কিনেছি পাতা

হাসনাইন সাজ্জাদী’র কবিতা || ঈদের শব্দআড্ডা
চাঁদের কপালে আজ নীল নোটিফিকেশন মসজিদের মিনারে ভাসে ডিজিটাল তাকবির মায়ের সেমাইয়ের গন্ধে ওয়াই-ফাইও হয়ে যায় আপন ঘরের মানুষ দূর

কাবেরী সাহা’র কবিতা || দুঃসহ গরম
দুঃসহ গরমে অসহ্য জীবন সূর্যটা খাড়াভাবে দিচ্ছে কিরণ। প্রকৃতিটা ঝিমিয়ে পড়েছে কেমন রুক্ষতা প্রকৃতিতে করছে ভ্রমন। কংক্রিটে তৈরী প্রকৃতি

শেখ তানজিনা রহমান এর কবিতা || গ্রীষ্মের তাপদাহ
সূর্যের রোষে ধরণী ফোঁসে নড়েনা গাছের পাতা, রাস্তা ঘাটে পথিকেরা চলে মাথায় দিয়ে ছাতা। মনে নাই সুখ,শুকায় এ বুক

শেখ তানজিনা রহমান এর কবিতা || কোরবানির ঈদ
তেইশটা বছর…..খুব কি বেশি সময়? আমার তো মনে হয় এইতো সেদিন… দিনটি ছিল কোরবানির ঈদের আগের দিন। বাড়ির সামনে

নাজমা বেগম নাজু’র কবিতা || চাঁদটা ছিল মেঘের নিনাদ
জ্বোনাকি – জান নকি সেদিন ছিল ঈদ, চাঁদটা ছিল মেঘের নিনাদ একটু হাঁটে, একটু লুকোয় মেঘের আড়াল নিয়ে ক্ষানিক







