শিরোনাম :

সাঈদা আজিজ চৌধুরী’র কবিতা || বৈশাখী অগ্নিঘোড়া
বৈশাখী রুদ্র দুয়ারে বসন্তের বিলাপ ঝলসানো বুকের পরাগধানী ভালোবাসার সন্তাপ। চারুকলার রংতুলি রাতজাগা আল্পনা রাজপথে ভীষ্মের কন্যার আগুনের শাড়ি

ফারুক প্রধান এর কবিতা || বৈশাখী ঝড়ো হাওয়া
বৈশাখী ঝড়ে মুকুল ঝরে পড়ে ফল গাছে নেই প্রকৃতির অভিসাপে, আগামীর রসালো ফল আম, জাম, কাঁঠাল এ বছর কম

শারাবান তহুরা’র কবিতা || বৈশাখের উন্মাদনা
তোমার দেওয়া তিনটি গোলাপ এলোমেলো বৈশাখে পঁচিশের হাত ধরে হেঁটে যাওয়া পথ প্রথম চুম্বন গোধূলির রংমাখা নির্জন নিরালায় স্মৃতিতে তুমি

নাজমা বেগম নাজু’র কবিতা || বর্ণিল বোশেখের নিংড়ানো রোদকণা
বর্ণিল বোশেখের নিংড়ানো রোদকণা পায়ে পায়ে আকাশ ছোঁয়া বিকেল শেষের রংধনু হয় – হতে চায় নিমগ্ন রং সব

মাসুম চৌধুরী’র কবিতা || আমি তোমাদের সংজ্ঞা নই
মনটা আজ আর শুধু উদাস না, মনটা আজ বিদ্রোহী। বাবা-মায়ের স্বপ্নের নকশায় আমার জন্য যে ঘর বানানো হয়েছিল আমি

গোলাম কবির এর কবিতা || ভালোবাসা পেলে
ভালোবাসা পেলে বুকের ভেতর বাজতে থাকে অলৌকিক সেতার, মন যেনো নিজে থেকেই গান গেয়ে ওঠে রবীন্দ্রনাথের ” ভালোবাসি, ভালোবাসি

ফারুক প্রধান এর ছড়া || ঈদ আনন্দ
ঈদের দিনে নতুন জামা পড়বো সবার আগে, খুশি মনে যাবো ঈদগাহে কোলাকুলি করবো সবার সাথে। মিঠাই নিয়ে ফিরি বাড়ি

পলক রহমান এর কবিতা || বয়স বাড়ে হালখাতায়
যৌবনের অখন্ড প্রভাব এমনই যখন মৃত্যু ভয় থাকে দূরের কোনো গ্রহে, তার ছায়াও পড়ে না উলঙ্গ চোখে। তখন স্বপ্নরা

নাজমা বেগম নাজু’র কবিতা || দুঃখভোলা জনমদুঃখী সুখ
অনেক আগেই দুঃখভোলা জনমদুঃখী ঘর বুনেছি অনেক আগেই প্রথম ফোটা কদম রেনুর গন্ধটাকে বুকে তো নয় সোঁদা মাটির নিঝুম

সাঈদা আজিজ চৌধুরী’র কবিতা || ঈদ আসে স
ঈদ আসে দ্যুতির বাঁকা ধনুকে আকাশে চলমান প্রেক্ষাগৃহে সন্ধ্যার চিহ্ন আঁকে ফেরেশতা অপেক্ষার অন্তিম অনশন শেষে। ঈদ আসে করুণার









