শিরোনাম :

শেখ তানজিনা রহমান এর কবিতা || বিদায়
কিছু বিদায় মুখে বলা হয়না, কষ্টগুলি অব্যক্ত থেকে যায়। কিছু চলে যাওয়া হাস্যজ্জল হয়না, কেন যেন ফিরে আসতেই মনচায়।

কাবেরী সাহা’র কবিতা || ভালোবাসা যাক
পাখিগুলো ডানা মেলে আকাশেতে ওড়ে গাছে গাছে নানা ফল খেয়ে তারা বাঁচে। পাখি গুলো যায় উড়ে দুর বহুদুরে, খড়

নিল হাসান এর কবিতা || অনুতাপ
ঘুম ঘুম চোখে দ্বার খোলা বুকে এলোমেলো বিছানার চাদরে সকালের আদরে আলতো ছোঁয়ায় ঘুম ভাঙতে যদি চোখ পড়ে তার

জানে আলম মুনশী’র কবিতা || বৈশাখ এলে
বৈশাখ এলে ঘরে ঘরে পান্তা খাওয়ার ধুম। বৈশাখ এলে খোকা খুকির চোখে নেইকো ঘুম। বৈশাখ এলে রঙের মেলা নানন

পলক রহমান এর কবিতা || পহেলা বৈশাখ
এসো হে বৈশাখ, নব প্রাণে জাগাও গান, পুরোনো সব দুঃখ মুছে জাগুক নতুন প্রাণ। রাঙা রোদে ভেসে আসে নতুন

সাঈদা আজিজ চৌধুরী’র কবিতা || বৈশাখী অগ্নিঘোড়া
বৈশাখী রুদ্র দুয়ারে বসন্তের বিলাপ ঝলসানো বুকের পরাগধানী ভালোবাসার সন্তাপ। চারুকলার রংতুলি রাতজাগা আল্পনা রাজপথে ভীষ্মের কন্যার আগুনের শাড়ি

ফারুক প্রধান এর কবিতা || বৈশাখী ঝড়ো হাওয়া
বৈশাখী ঝড়ে মুকুল ঝরে পড়ে ফল গাছে নেই প্রকৃতির অভিসাপে, আগামীর রসালো ফল আম, জাম, কাঁঠাল এ বছর কম

শারাবান তহুরা’র কবিতা || বৈশাখের উন্মাদনা
তোমার দেওয়া তিনটি গোলাপ এলোমেলো বৈশাখে পঁচিশের হাত ধরে হেঁটে যাওয়া পথ প্রথম চুম্বন গোধূলির রংমাখা নির্জন নিরালায় স্মৃতিতে তুমি

নাজমা বেগম নাজু’র কবিতা || বর্ণিল বোশেখের নিংড়ানো রোদকণা
বর্ণিল বোশেখের নিংড়ানো রোদকণা পায়ে পায়ে আকাশ ছোঁয়া বিকেল শেষের রংধনু হয় – হতে চায় নিমগ্ন রং সব

মাসুম চৌধুরী’র কবিতা || আমি তোমাদের সংজ্ঞা নই
মনটা আজ আর শুধু উদাস না, মনটা আজ বিদ্রোহী। বাবা-মায়ের স্বপ্নের নকশায় আমার জন্য যে ঘর বানানো হয়েছিল আমি










