শার্শীর কাঁচে টুপটাপ বৃষ্টির শব্দ নি:শব্দে
কথা বলে। থেমে থাকা আঁকাবাঁকা বৃষ্টি
পতনের ভাঁজে পুরোনো দিনের রুদ্ধ
স্মৃতিকথা উঁকি দেয় মনের পর্দায়।
মেঘেরা যেন কোনদিন কোন কালে গোপনে দূরের দেশে লিখে রেখেছিল কিছু চিঠি,
এলোমেলো বাতাস এসে মৃদু ঝাপটায় সেটা
শোনাতে চায় বৃষ্টি পতনের আলাপনে।
দেখি ফোঁটা ফোঁটা জল গড়াতে গড়াতে থেমে যায় নিঃশব্দ কোন অভিমানে, যেন কারো না বলা কথা থেমে থাকে মাঝপথে। কথারা তখন উঁকি দেয় মনের কোনে কোনে বিষন্ন অস্থিরতায়।
শার্শীর ওই স্বচ্ছ কাঁচে জমে থাকা জলরঙে
দেখি- কখনও আঁকা হোচ্ছে তোমার মুখ,
কখনও তোমার শুভ্র এলো চুল এসে ঢেকে
দিচ্ছে তোমার চোখ অন্য কোন আল্পনায়।
এক সময় বৃষ্টি থামে, রেখে যায় তার নরম স্পর্শ। শার্শীতে বৃষ্টিরা তখনও এঁকে গেছে ভেজা দিনের পুরোনো চিঠির এলোমেলো ভাষা। সে ভাষার কিছুই বুঝি না আর, শুধু বুঝি শার্শীতে বৃষ্টি ঝরুক আজ সারাটাদিন।














