শিরোনাম :

পলক রহমান এর কবিতা || চিরঞ্জীব হে যোদ্ধা
ওরা বলে তুমি না কি মরে গেছো, ওরা বলে তোমার না কি মৃত্যু হয়েছে, ওরা বলে তুমি এখন একটি

ফারুক প্রধান এর কবিতা || সুলেখা দেবী
নিশিতে নিশ্চল বেগানা পুরুষ আড় চোখে চায় জানালায় মুখ ফিরিয়ে নিয়ে ঘোমটা মাথায় জড়সড় হয়ে দেয়ালের সাথে মিশে যায়

প্রিয়াংকা নিয়োগী’র কবিতা || উন্নতি এবং ব্যাথা
ভোরের আকাশে মুগ্ধতা পাই, নিজের জগতে স্নিগ্ধতা পাই। ছুটছে সবাই যে যার মতো করে, একেকজনের একেকরকম, পৌঁছানো লক্ষ্য উদ্দেশ্যে। শত্রু

কণিকা মাহমুদ এর কবিতা || হৃদয়ের মাঝে শুধু তুমি
এই কবিতাটি আমার প্রয়াত স্বামী মাহমুদকে নিয়ে লিখা ও উৎসর্গ করা। ❤️ তোমার জন্য কাঁদে যখন প্রাণ যতো দূরেই

সুচন্দ্রিতা ঘোষাল চক্রবর্তী’র কবিতা || সাহিত্যে নারী
কাজের ভারে ধুকছে তারা তবুও লেখা চাই। সকাল বিকেল দিনের শেষে মনের গান গাই। ভোরের বাতাস ছড়ায় সুবাস শীতল

প্রিয়াংকা নিয়োগী’র কবিতা || রাঙা
পলাশের ফাগুনে রমরমিয়ে রক্তিম রঙে রাঙিয়ে, সুমধুর বাতাবরণের অপেক্ষায় এক কোকিল। ভোর তির্যক ক্ষণে, গেয়ে যায় অভ্যাসের নিদারুনতায়। ক্ষণে ক্ষণে

জয়া’র কবিতা || শিকভাঙ্গা ছাতা
বৃষ্টিপাত গড়ানো থেমেছে, জলের ঢেউ গড়ানো থামেনি- এখনো। শিক ভাঙ্গা ছাতাটি- না পারছে নিজেকে বাঁচাতে না পারছে আমার উপর বর্ষিত

প্রিয়াংকা নিয়োগী’র কবিতা || তোমার ব্যক্তিত্ব
ব্যাক্তিত্ব যদি হয় সুমধুর, মানুষের মুখে মুখে তা মধুর। ব্যাক্তিত্ব যদি হয় চশমখোর, তোমার প্রতি মানুষের ভাবনাও হবে চশোমখোর। যদি

সুফিয়া শিউলি’র কবিতা || এই শরতের গাঁথা
সাদা কাশবনে হাওয়ার দুলুনি ঢেউ তিরতির নদী…… শরতের এই মোহনীয় রাতে চাঁদ না উঠতো যদি…… মহুয়ার বনে জমতো না খেলা

প্রিয়াংকা নিয়োগী’র কবিতা || যদি হতাম
যদি হতাম ডাক পিওন, প্রতিদিন যেতাম তোমার কাছে মনের চিঠি পৌঁছে দিতে। যদি হতাম ফুল বাগানের মালিক, প্রতিদিন শুভেচ্ছা জানাতাম












