এখনও কালো মেঘের ঘনঘটা
নিরব এলোমেলো বাতাসে ন্যাকা বৃষ্টি
হোচ্ছে। ছেঁড়া বৃষ্টি, শরীর ভেজে না।
মাথা ভেজায়, সর্দী হাঁচিতে বেরিয়ে
আসতে চায় অজস্র ফুল্কিভেজা তারা।
অথচ এখন ন্যাড়া আকাশে থাকবে
সাদা মেঘ, মাটির বুকে থাকবে তৈলাক্ত
গন্ধ, কুয়াসাবাতাসে ভাসবে অতি চেনা
প্রাচীন গান, পঁচে যাওয়া শাখার পাতায়
থাকবে সদ্য হারানো বর্ষার স্বপ্ন।
এখনও যেন বৃষ্টির সুরে ভিজে যাচ্ছে
আমার চেনা শহর। দেয়ালে আঁকা
বিপ্লবী জুলাইয়ের গ্রাফিতী কেমন ঝাপসা লাগে। এত সহজেই কিভাবে মিলিয়ে যাচ্ছে বাহারী রঙের পিক্সেল, রক্তের রঙ কি সাদা হয়?
সূর্য রোদের লুকোচুরি খেলায় অকারণে হাসছে আকাশের ক্যানভাস। কোথায়
লুকালো সমবেত কোরাস, বৈষম্য পতনের
স্লোগান। কালো মেঘের আচ্ছাদনেও তো
থাকে আশার আলো লুকায়িত, থাকে
ভবিষ্যতের কথা, থাকে এক নতুন সকাল।
এবার শরৎ হয়ত ফিরে আসবে- হাতে
হাজারও মিনতি নিয়ে। বলবে, মেঘেদের
কান্না শেষ হয় না, সেও নাকি জুলাইয়ের কান্নাকে ধারণ করেছে বুকে। তাহলে কি
এবার শরত থাকবে কেবল কাশফুল হয়ে রবীন্দ্রনাথের শীতল পৃষ্ঠায়!















