ঢাকা ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পলক রহমান এর কবিতা || একদিন এই ছবিই কথা বলবে

  • আপ : ০১:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩৬৫ ভিউ :

বেঁচে থাকলে আমাদের বয়স বাড়ে,
অধ্যাত্ম ভাবনায় কেন- উলটো পথে
সাধারণ গানিতিক হিসেব কষলেও
এটা পরিস্কার বুঝা যায় যে বয়সটা
আসলেই কমতে থাকে একসময়।
পঞ্চাশ পেরুলে বয়স আর বাড়ে না।

কিন্তু স্মৃতিরা হুড়মুড়িয়ে যেভাবে
ভেঙ্গে পড়ছে তাতে চোখের সামনে
বন্ধুরা হয়ে উঠছে দূর। তাই অমলিন
হাসির তাথৈ সারির সুর এখন ব্যঙ্গ
করে বয়সকে। বয়স কমছে বলেই
হয়ত স্মৃতিরা হচ্ছে মলিন, ধূসর।

প্রাত্যহিক জীবনের সরলতার মাঝে,
কখনও হারানোর খবর ভেসে আসে,
অথবা কেউ কেউ চলে গেছে নতুন
কোন সংস্কৃতির সন্ধানে দূরদেশে-
মাতৃভূমির স্মৃতিকে পেছনে ফেলে।
তারাও একদিন ছিল, থাকবে হৃদয়ে।

যারা রয়ে গেছি, সঙ্গে থাকা সে সব
চেনা মুখ আড্ডার আমেজে মিশে
গেলেও স্মৃতির শব্দগুলো কেমন
যেন ডানা ভাঙে, শুধু সময়ের জন্য।
তবু ফিরে পেতে চাই শৈশব, যৌবন,
অথচ এখন সে সব যেন অধরা গল্প।

সুজোগে এক টেবিলে সবাই জড়ো
হই, নিরহংকার আলোর নিচে এখনও
আড্ডা হয়, মজা হয়। আনন্দের মাঝে
বন্ধুত্ব প্রকাশ করে বসে ভাবতে থাকি,
কেমন ছিল আমাদের একসাথে বেড়ে
ওঠা, কেমন ছিল আমাদের অতীত?

ঠোঁটে হাসির ঝিলিক দিয়ে আবার তা
মিলিয়ে যায়, ভাবি বন্ধুদের সাথে এই ছবিটাই শেষবারের ছবি নয় তো!
কি জানি? হয়ত একদিন এই ছবিই
কথা বলবে শব্দ হয়ে, স্মৃতি হয়ে উত্তরসূরীদের কাছে। বলবে আমাদের
একটি যুগ ছিল, স্বর্নালী যুগ।

 

পলক রহমান এর কবিতা || একদিন এই ছবিই কথা বলবে

আপ : ০১:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

বেঁচে থাকলে আমাদের বয়স বাড়ে,
অধ্যাত্ম ভাবনায় কেন- উলটো পথে
সাধারণ গানিতিক হিসেব কষলেও
এটা পরিস্কার বুঝা যায় যে বয়সটা
আসলেই কমতে থাকে একসময়।
পঞ্চাশ পেরুলে বয়স আর বাড়ে না।

কিন্তু স্মৃতিরা হুড়মুড়িয়ে যেভাবে
ভেঙ্গে পড়ছে তাতে চোখের সামনে
বন্ধুরা হয়ে উঠছে দূর। তাই অমলিন
হাসির তাথৈ সারির সুর এখন ব্যঙ্গ
করে বয়সকে। বয়স কমছে বলেই
হয়ত স্মৃতিরা হচ্ছে মলিন, ধূসর।

প্রাত্যহিক জীবনের সরলতার মাঝে,
কখনও হারানোর খবর ভেসে আসে,
অথবা কেউ কেউ চলে গেছে নতুন
কোন সংস্কৃতির সন্ধানে দূরদেশে-
মাতৃভূমির স্মৃতিকে পেছনে ফেলে।
তারাও একদিন ছিল, থাকবে হৃদয়ে।

যারা রয়ে গেছি, সঙ্গে থাকা সে সব
চেনা মুখ আড্ডার আমেজে মিশে
গেলেও স্মৃতির শব্দগুলো কেমন
যেন ডানা ভাঙে, শুধু সময়ের জন্য।
তবু ফিরে পেতে চাই শৈশব, যৌবন,
অথচ এখন সে সব যেন অধরা গল্প।

সুজোগে এক টেবিলে সবাই জড়ো
হই, নিরহংকার আলোর নিচে এখনও
আড্ডা হয়, মজা হয়। আনন্দের মাঝে
বন্ধুত্ব প্রকাশ করে বসে ভাবতে থাকি,
কেমন ছিল আমাদের একসাথে বেড়ে
ওঠা, কেমন ছিল আমাদের অতীত?

ঠোঁটে হাসির ঝিলিক দিয়ে আবার তা
মিলিয়ে যায়, ভাবি বন্ধুদের সাথে এই ছবিটাই শেষবারের ছবি নয় তো!
কি জানি? হয়ত একদিন এই ছবিই
কথা বলবে শব্দ হয়ে, স্মৃতি হয়ে উত্তরসূরীদের কাছে। বলবে আমাদের
একটি যুগ ছিল, স্বর্নালী যুগ।