শিরোনাম :

সাঈদা আজিজ চৌধুরী’র কবিতা || মুখরা হৃদয়
ও হৃদয় কেন মুখর থাকে অষ্টপ্রহর ও বাদল কেন ঝরে নিশিদিন ও নদী কেন জলশূন্য,নেই কেন জল চোখের ‘পর

শ্রীতমা দাস এর কবিতা || এক ঝাঁক পায়রা
সাঁঝবাতির আলোয় আট বছরের ছোট্ট বেনু ঢুলু ঢুলু নয়নে পড়ছিল নামতা, উনুনের আঁচে মায়ের রুটি বানানোর ধোঁয়া নাসিকায় এসে

শ্রীকান্ত বেপারী’র কবিতা || মিলন সুখ কলমে
ভোমরা কেন সকাল সাঁঝে ফুলের বনে আসে! ফুলের মধু — মাখবে মুখে তাই তো ছুটে আশে । মধুর নেশায় ছুটে

প্রিয়াংকা নিয়োগী’র কবিতা || মাইলস্টোন
আকাশে দৃষ্টি বিরাজমান, একই পলকে তাকিয়ে রই সেই মহাকাশে, যেখানে শুধুই আমি আমার নীলাভোয় মিলিয়ে যেতে পারি, আশা রাখতে পারি

চিরঞ্জিত ভাণ্ডারী’র কবিতা || অপূর্ব সকাল এক
সকালটা কেমন দিন দিন সুস্থতা হারাচ্ছে ক্রমশ ফুরিয়ে আসছে সতেজ বাতাস। এই দুর্দিন কেন নামল মাটির বুকে কেনই বা

সুফিয়া শিউলি’র কবিতা || কাশকন্যা ও শরতের গাথা
মুগ্ধ আকাশ অবাক হয়ে দেখে দুধসাদা কাশ হাওয়ায় নেচে-নেচে হাতছানিতে ডাকছে তাকে এসো…! শ্যামল মায়ের মায়াবী দোলনাতে দুলে দুলে

নাজমা বেগম নাজু’র কবিতা || আকাশের মত অসীম
মহাপ্লাবনের কালোরাত ক্ষয়ে সূর্যস্নাত সবুজ ভোরের – ফসলী যুগের আহ্বানে ভরা আসবে নতুন দিন। এখন না হয় ভয়ার্ত জলস্রোত,

বিনয় মন্ডল এর কবিতা || অধরা তুমি-অবাধ্য আমি …..
তোমার টোল পড়া গালে পাড় হয় সমুদ্রের ঢেউ ভালোবেসে জেগে ওঠে চর গোলাপী ঠোঁটে ফুটে থাকে অনবরত কমলা লেবুর

প্রিয়াংকা নিয়োগী’র কবিতা || মাপ
কথার সাথে কাজে মিল, প্রত্যেকেই খোঁজে সেরকম, বিশ্বাস বাড়িয়ে দেয় ব্যক্তিত্বের, মূল্য বাড়িয়ে দেয় জীবনের, সময়ের সাথে চললে, কাজ হবে

সুচন্দ্রিতা ঘোষাল চক্রবর্তী’র কবিতা || মুখাভিনয়
অনেক দিন হলো কথা হয়নি জমা কথা, হাবুডুবু খাচ্ছে এখন উপচে পড়া অভিমান, ডুগরে কাঁদে নিরলস প্রয়াস,শুধুই ভালো থাকার








