শিরোনাম :

সুচন্দ্রিতা ঘোষাল চক্রবর্তী’র কবিতা ||ভাবতে থাকো
হয়তো বা নয়তো নতুন করে ভাবতে-থাকো ঝিনুক খুলে মুক্ত দেখো? নীল আকাশের সময় মাপো? হয়তো বা নয়তো এমন করেই

বাণী ব্যানার্জী’র কবিতা || একটা কলম খাতার অপেক্ষা
অনেক গুলো দুপুর কত রাত গেল হারিয়ে। হলো না লেখা চিঠি মিমাংসার শব্দ ভরিয়ে। আজ আবার

কনিকা মাহমুদ এর কবিতা || মন করে আনচান
কৃষ্ণচূড়ার লাল রং মেখে মনের মাঝে স্বপ্ন এঁকে যখন শুনি তোমার প্রেমের গান। মুগ্ধ চোখে রই তাকিয়ে ভালোবাসার

মধুছন্দা গাঙ্গুলীর কবিতা || তৃপ্তির সন্ধানে
স্মৃতির পটে কাটাকুটির মেলা, মনে না মনে পড়ার ব্যকুল খেলা, আঁখির উজানে দিই ভাসিয়ে ভেলা, কেটে যায় দিবা

সুভাষবসু’র কবিতা || চিঠি
একটা চিঠি লিখেছি বেশ কয়েক দিন আগে। উত্তর এখনো আসেনি, হয়ত! আসবে ও না কোনদিন। হয়ত!বা আসবে! প্রতিক্ষার হেরফের

সৃজনে শুক্লা দাস এর কবিতা || রক্তার্পণ
রক্তদান মহৎ দান রক্ত দিয়ে বাঁচে প্রাণ রক্তদানে জীবন হাসে মুমূর্ষু ও উঠে বসে। রক্তের হয়না বিকল্প হোক না

মাধুরী শর্মা’র কবিতা || নিত্য খেলাঘর
জীবনের রং কখনও ধূসর,কখনও নীলাভ,কখনও শতরূপা,মোরা রঙের খেয়ায় ভাসি,স্বপ্ন সাজাই রংধনু তে, ভেলা ভাসাই,অনিশ্চয়তার মাঝে । স্বপ্ন ভীড়াই কূলের

সঞ্চিতা সিকদার এর কবিতা || পরিবার
সুখে-দুখে মিলি যেথা হয় পরিবার, সম্পর্কের টানাপোড়েনের চলে সমাহার। কখনো শান্তি কখনো অশান্তি মেঘ-বৃষ্টির খেলা , কান্না হাসির দোলাচলে

শাহনাজ পারুল এর কবিতা || নারী তুমি প্রতীক
নারী তোমায় যে উজ্জ্বল অপরূপ সৌন্দর্য দিয়েছে বিধাতা তাহা নিয়ে গর্বিত তুমি এই ধরায়! নারী তুমি কি জানো না

মুনমুন চক্রবর্তী সেন এর কবিতা || সমাজ চেতনা
সমাজ মানে প্রাণের প্রকাশ, সমাজ মানে আত্মকথা কুসংস্কারে মরে সে সমাজ, শুধুই লেখে বেদনা-ব্যথা। অধিকারের প্রশ্নে দাঁড়ায় সে নিজের







