শিরোনাম :

শুভ্র ব্যানার্জীর কবিতা || ধ্বংস করছি প্রকৃতি
যাঁরা প্রকৃতিতে স্বার্থহীন প্রেম বিবিয়েছেন যাঁরা অকাতরে প্রকৃতির শুদ্ধ বাতাস দিয়েছেন, যাঁদের আশ্রয় করে মানবতার এত উন্নতি তাঁরদেরই আজকে

আফিয়া রুবি || আমি
আমি মানুষ হিসেবে- নিজেকে ভোট দিই শতভাগ মানুষ একটি শিল্প মহাবিশ্বের যিনি লালন-পালন করেন তাঁর নিখু্ঁত শ্রেষ্ঠ শিল্প মানুষ।

নাজমুল হোসাইন খাঁন || কাটার গাঁথুনি
বিশ্বস্ত সড়কে নেই আশ্বস্ত নেই নিশ্চিন্ত যাত্রা কাঁটার গাঁথনুতে শুধুই রক্তপাত। রোদের উত্তাপে গা কচলানো মাথার মগজ টগবগিয়ে উঠে।

অলিতাজ মনি || উদ্গ্রীব নির্ভরতার গুপ্ত
মনের দমন নিপীড়ন আনমনে হাসে-দ্রবীভূত প্রয়োজনে ভাসে খনন-আয়োজন উদার-উদ্ধার জল-তরঙ্গে তারাও পথে আসে সংশপ্তক বোধের ব্যাকরণপুষ্ট আঘাতে নান্দনিকতার প্রখর

কাজী সেলিম || জয় বাংলা
জয় বাংলা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জয় বাংলা স্বাধীনতার দর্পণ। জয় বাংলা এসেছে নজরুলের কন্ঠে জয় বাংলা এসেছে মজিবরের কন্ঠে। জয়

প্রসপারিনা সরকার || চল মোরা ভালোবেসে
চল মোরা ভালোবেসে প্রসপারিনা সরকার ঈদ এলো ঈদ এলো ঈদ এলো ঐ চল হাসি উল্লাসে মেতে উঠি করি হৈই চৈই।

পলক রহমান || আর কিছুটা সময়
যদি আর কিছুটা সময় পেতাম। সেই কিছুটা সময় আমৃত্যু কিছুটাই থেকে যায়। অনেক সময় পাওয়া হলেও আর কিছুটা সময়

ফারুক প্রধান || মায়ের হাসি
মায়ের হাসি মিষ্টি হাসি দেখলে চোখ জুড়ায় বুকটা আমার শীতল পাটি স্নেহ ভালোবাসায়। মায়ের কথা মনে হলে ছুটে আসি

পুষ্পিতা সেন || ক্লিও নামের ফুলটি, যে ঝরে গেছে
আজ সকালে ঝরে গেল ক্লিও নামের একটা ফুল। নামটি রেখেছিল ফুলটির প্রেমে পড়া তার রূপমুগ্ধ প্রেমিক। না, কেউ পারেনি অবধারিত

চিরঞ্জিৎ দে || ফাঁদ
কলম যখন আলতো হাতে আলো ফেলে, তুমি তখন চুপিসারেই আঁধার আনো, আঁধার – আলোর কারসাজিতে চালশে চোখে- পড়ছে ধরা







