শিরোনাম :

গীতশ্রী সিনহা’র কবিতা || “মা”
ক্ষুদ্রতম শব্দের দীর্ঘতম অনুভূতি “মা” গীতশ্রী সিনহা পূর্বজন্মের চেনা নিয়তি, জন্ম-কবচ আজও চোখ মারে…! বেপরোয়া নিঃশব্দ ভ্রুকুটি শীর্ণ ছায়ার হাতছানি

আফিয়া রুবি’র কবিতা || স্বপ্ন
শিশু যখন- প্রাইমারি পেরিয়ে মাধ্যমিকের ঘরে মাধ্যমিক শেষে আরেকটি স্বপ্ন দেখে জেন্ডার বৈষম্যের তখনো আওতাধীন নই বলে সে বয়সে

মৌসুমী ডিংগাল এর কবিতা || এ টুকুই চাওয়া
কী যেন বলতে গিয়েও বলতে পারি না কী যেন শুনতে চাই, তুমি বলো না কী যেন দেখতে চাই,তবু দেখা

শ্রীকান্ত বেপারী’র কবিতা || য়ায় করে বশ
নয়ন ভরে—- মনের ঘরে আঁকি যাহার ছবি ! মনের তুলি— ভাবনা কালি রূপ দিয়েছে কবি। পটল চেরা– কাজল আঁখি ঠোঁটে

সর্বানী দাস এর কবিতা || রথযাত্রা
আষাঢ় মাসে রথযাত্রা শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়ায়, বলভদ্র সুভদ্রার সাথে প্রভু জগন্নাথ রথযাত্রায়। মাসির বাড়ি গুন্ডিচাতে যাচ্ছেন রাজবেশে, ভক্তের দল মহা

জয়া’র কবিতা || আমি এক
জীবন মাঝে মাঝে এতো সস্তা হয়, যেন বাদাম খেয়ে খোসাটা ছুঁড়লেই- ব্যস কেল্লাফতে!!!! আবার হঠাৎ এমন দুর্মূল্য হয়ে ওঠে, ঘরের

স্নেহাশীষ নস্কর(মুকুল) এর কবিতা || জবাবদিহি
দীপ্ত যৌবনের লেলিহান শিখায় সেদিন ধরায় আনিলে যাহারে, যদি সে শুধায় – কি দিয়েছো মোরে বলো কি দেবে জবাব

সুশান্ত ঘোষ এর কবিতা || ভালোবাসা মানেই ছুঁয়ে দেখা নয়
ছুঁয়ে দেখাটাই ভালবাসা নয়, এমনও সম্পর্ক আছে যেখানে বন্ধন টাই শেষ কথা। সেখানে দূরে থেকেও সম্পর্ক ভালো থাকে, সেখানে

মালা ঘোষ মিত্র’র কবিতা || ভালোবাসা
সারাজীবন খুঁজে মরি কত কিছু, আতশ কাচের ভিতর দিয়ে, কিছু কি দেখা যাচ্ছে— পরিযায়ী পাখি এসে যায় ভালো থাকার

সর্বানী দাস এর কবিতা || অপরূপা নারী
দীর্ঘ কায়া কুঞ্চিত কেশ মায়া ভরা দৃষ্টি, স্নেহ প্রীতির আধার তুমি নারী রূপে সৃষ্টি। মিষ্টি তোমার মুখের হাসি সুধা















