শিরোনাম :

পলক রহমান || এবার বৃষ্টিতে
এবার বৃষ্টিতে আমি প্রগাঢ় নদী হব, নাব্যতার নদী। দীর্ঘস্থায়ী একটানা বৃষ্টিতে উজান থেকে যতই গড়াক জল- আমি ভাসতে দেব না

গোলাম কবির এর কবিতা || একমাত্র তুমিই শুধু পারতে
তোমার অবহেলা পেতে পেতে একদিন চলে যাবো সকল নেটওয়ার্কের বাইরে! খুঁজেও কোথাও পাবে না আর ঈশ্বরের দরজায় শতো মাথা

ফারুক প্রধান এর কবিতা || মেঘের বাড়ি কই
হাওয়ায় ডাকাডাকি মেঘের বাড়ি কই ময়ুর কেকা নাজছে সেথা বৃষ্টি নামবে ওই। দুপুর বেলা বর্ষা নামে ঝিরিঝিরি ফোটায় ফোটায়

লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর কবিতা || বর্ষা
বর্ষা মানেই তো মেঘ আর বৃষ্টি নব নব উদ্দীপনায় নতুন নতুন সৃষ্টি, আকাশে বাতাসে জলাশয়ে ভেসে ভেসে অপরুপ সৌন্দর্য

নাজামা বেগম নাজু’র কবিতা || একটি জুলাই – ৩৬ শে এক মাস
দুঃখ রঙে আঁকা আকাশ এই পৃথিবীর মাথার উপর অশেষ দুঃখ নীল, বুকের মাঝে উপচে ওঠা দুঃসহ এক ব্যথার সাগর

সাঈদা আজিজ চৌধুরী’র কবিতা || শ্রাবণ-ধারাপাত
অস্থির ঝালর অশান্ত শ্রাবণধারা নীল হরিণী ঝড়-জলে অরণ্যে দিশেহারা। শ্যামল আঁচল কদম কেয়া কেতকীর বুকে সঞ্চিত জল নকশীর ফোঁড়ে

লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর কবিতা || টেপিরবাড়ী
গাজীপুর জেলার শ্রীপুরে টেপিরবাড়ী গ্রাম অফুরন্ত ভালবাসা শুভ কামনা অবিরাম, মাটির ঘরে বসতি মাটির মত মন স্নেহ মমতায় ভরপুর

নাজমা বেগম নাজু’র কবিতা || তোমার পতাকা যারে দাও
“তোমার পতাকা যারে দাও তারে বহিবারে দাও শকতি”—– —– কার হাতে দিয়েছিলাম বিজয় পতাকা আমার? আমাদের??—– তারা উল্লাসে নাচে,

ফারুক প্রধান এর কবিতা || গ্রীষ্মের দাবদাহ
ছিট বিট গরমের নেই তাতে শরমের। গ্রীস্মটা এলে তাই ঘাম ঝরে মাটিতেই। কৃষকের হাসফাস দমফেটে যায় যাস। পথিকের ছাতাটা

মাসুম চৌধুরী’র কবিতা || অদৃশ্য নদীর ভাঙন
নদী নেই, শুধু শব্দ থাকে, ভাঙনের, টুকরো টুকরো হাহাকারের হৃদয়ের অন্তর্গত এক পাড়, যা কারো চোখে পড়ে না আর।







