শিরোনাম :

পলক রহমান এর কবিতা || শরতের আকাশ আজও মেঘলা
এখনও কালো মেঘের ঘনঘটা নিরব এলোমেলো বাতাসে ন্যাকা বৃষ্টি হোচ্ছে। ছেঁড়া বৃষ্টি, শরীর ভেজে না। মাথা ভেজায়, সর্দী হাঁচিতে বেরিয়ে

ফারুক প্রধান এর কবিতা || শরতে সাদা মেঘে ঢাকা আকাশ
সাদা মেঘে রঙধনুটা রঙিন মেঘে আঁকা কাশফুলে প্রজাতির রঙিন পাখায় উড়ে বেড়ায় ফরিং যেন পাখা মেলে অরণ্যে উড়ে যায়

লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর কবিতা || সাবধানে সড়কে চলি
সড়কের মড়কে মরছে মানুষ নিত্য চলতে গিয়ে সড়ক পথে ভয়ে কাঁপে চিত্ত, সড়কের অপর নাম মৃত্যুফাঁদ বলা চলে আমরা

নাজমা বেগম নাজু’র কবিতা || পৃথিবীর ধুলো পথ
এই নাও এই বুকের আগল – কপাট খুলেছি দুখনীল ঘর- হৃদয়পিন্ডের, দাও আরো দাও – যত পারো যত সাধ্যসীমায়

মোহাম্মদ সোলায়মান সহজ এর কবিতা ||ডেঙ্গু চিকুনগুনিয়া
শহর গ্রাম ড্রেন ডোবা রাখিলে পরিষ্কার ধ্বংস হবে বংশ মশার । মশাকে করিতে হবে পঙ্গু নিপাত যাবে ডেঙ্গু ।

মোঃ হাসান মাহমুদ (হাসান) এর কবিতা || মুক্ত বিহঙ্গ
মুক্ত বিহঙ্গ মায়ার বাঁধন ভাঙি, নীল আকাশে ডানা মেল। পতঙ্গের মতো স্পার্কের আলোছটার পানে মরণ-নেশায় ছুটে চল। গৌরাঙ্গ বা কৃষ্ণ,

মাসুম চৌধুরী’র কবিতা || কিছু অপেক্ষা
কিছু অপেক্ষা রেলস্টেশনের পুরনো বেঞ্চের মত, যেখানে বসে থাকা মানুষগুলো বদলায়, কিন্তু কাঠে জমে থাকা দীর্ঘশ্বাসের রং পাল্টায় না।

গোলাম কবির এর কবিতা || ভালোবাসা বলতে আসলে কিছু নেই
কাউকে খুব বেশি ভালোবাসতে নেই, কখন যে উইপোকার মতো হৃদয় কেটেকুটে শেষ করে ফেলবে তা নিজেও বুঝবে না! কাউকে

ফারুক প্রধান এর কবিতা || এক গুচ্ছ গোলাপের কথা বলতে এসেছি
আমি গোলাপের ঘ্রাণ নিতে আসিনি একটু একটু করে পাপড়ি ঝরে পড়ছে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলে গোলাপের পাপড়িরা ঘুমিয়ে পড়ে।

সাঈদা আজিজ চৌধুরী’র কবিতা || প্রাসাদ জেগে থাকে
মেঘ ভেঙে বৃষ্টির জল পাহাড় ভেঙে সমুদ্রে গড়ায় মানুষ ভাঙলে আকাশের সিঁড়ি খুলে যায় চড়ে বসে বন্ধ চোখে অন্ধ







