শিরোনাম :

কনিকা মাহমুদ এর কবিতা || স্বপ্ন পুরন
খুব ভোরে মৃদু উঁকি দেয় কৃষ্ণচূড়া রোদ হৃদয়ের বারান্দায় স্বপ্ন বুনে যায় মনের কুঠড়িতে দূর্বা ঘাসের সবুজ আভা। ঠোঁটের গহীনে

জয়া’র কবিতা || আমার বৃষ্টি
বৃষ্টিকালেও যখন ভেলকিবাজি দেখায় বৃষ্টি, হাত বাড়িয়েছি জানালার বাইরে- ঝরছে তো ঝরছে না ভিজিয়ে যাচ্ছে তো যাচ্ছে না! হাতের শুকনো

মালা ঘোষ মিত্র’র কবিতা || স্পন্দন
রঙিন মাছ সুদৃশ্য অ্যাকোয়ারিয়ামে, স্বচ্ছ জলে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ, জলের মাঝে বাঁশের মাচা, অতন্দ্র প্রহরী, খেয়াল খুশি মতো মাছ

জয়শ্রী ভট্টাচার্য’র কবিতা || অনন্ত মরণের অপেক্ষায়
ক্লান্তির অ্যালবামে রোজ জলছবি আঁকে এক বিষন্ন বিকেল। মরা নক্ষত্রের ঘোলাটে আলোয় চিরচেনা মুখগুলো কেমন যেন অচেনা মনে

মৌসুমী ডিংগাল এর কবিতা || ইচ্ছে করে
ইচ্ছে করে বৃষ্টির দিনে একটা ছাতায় হাঁটি এলোমেলো চুল ভিজে জবজবে পা ছুঁয়ে যাবে মাটি। তখন আমি ষাট ছুঁয়েছি তুমিও

ফরিদ সাইদ এর কবিতা || বাঁশ-জীবন
ব্যবসাপাতি যাচ্ছে খারাপ ছাড়তে হবে ঢাকা ছেলের ভর্তি এই মাসেতেই পকেট খানা ফাঁকা! লাগবে নতুন পোশাক-আশাক কেমনে দেবো কিনে

শেফালী দেবনাথ এর কবিতা || মুখোমুখি
সভ্যতার শহর শব্দের আনাগোনা জীবন খাঁচা বন্দি পাতার বাসর। যুদ্ধ চলছে শরীরের সাথে শরীরের, প্রতিদিন বিক্রি হয় এক মুঠো

অর্পিতা ঘোষ পালিত কবিতা || আজও অপেক্ষায়
স্টেশনের সিঁড়ির ঠিক পাশটাতে এগারো বছর ধরে পাগলিটা পরনে নোংরা ছেড়া জামা মাথায় পাখির বাসা ভালোবাসার ঘামে ভেজা মুখ কাকে

গীতশ্রী সিনহা’র কবিতা || “মা”
ক্ষুদ্রতম শব্দের দীর্ঘতম অনুভূতি “মা” গীতশ্রী সিনহা পূর্বজন্মের চেনা নিয়তি, জন্ম-কবচ আজও চোখ মারে…! বেপরোয়া নিঃশব্দ ভ্রুকুটি শীর্ণ ছায়ার হাতছানি

আফিয়া রুবি’র কবিতা || স্বপ্ন
শিশু যখন- প্রাইমারি পেরিয়ে মাধ্যমিকের ঘরে মাধ্যমিক শেষে আরেকটি স্বপ্ন দেখে জেন্ডার বৈষম্যের তখনো আওতাধীন নই বলে সে বয়সে












