শিরোনাম :

পলক রহমান এর কবিতা || সূর্যের দিকে হেঁটে যাই
সূর্যের দিকে একাগ্র হেঁটে যাই, পেছনে ফেলে দিই সব ছায়া, ভয়ের কণ্ঠ থেমে যায় আজ, আলোর ডাকে জাগে মায়া।

গোলাম কবির এর কবিতা || হৃদয় এবং চোখ
হৃদয়ের জমিন থৈথৈ শ্রাবণ মেঘের আনকোরা নতুন জলে! এখানে এখন তিরিং বিরিং করে জিয়লমাছেরা ঝাঁকে ঝাঁকে, আর কেউ না

মাসুম চৌধুরী’র কবিতা || আমার বিকল্প হাজারটা পাবে, কিন্তু আমাকে না
তুমি চাইলে পেতে পারো হাজারটা হাসি, নতুন মুখ, নতুন ভালোবাসার ছোঁয়া। তাদের কেউ হয়তো তোমার কফিতে চিনি দেবে মেপে,

হাসনাইন সাজ্জাদী’র কবিতা || রক্তে তরঙ্গায়িত সময়
রক্তে তরঙ্গায়িত সময় যায়, বাতাসে মিশে হারায় ছায়ায়, যেন শিরায় প্রবাহিত প্লাজমার নদী জীবনের কোষে জ্বলে অণুর প্রদীপবাতি। অক্সিজেন

শারাবান তহুরা’র কবিতা || সভ্যতা
মায়াময় জনপদে লোমহর্ষক আগুনের তান্ডবে পোড়া শিশুর হেঁটে যাওয়া পদচিহ্ন….. সোনার হরফে লিখে গেলো সভ্যতা প্রাণের উচ্ছাসে বৈরী বাতাস আগুনে

ডাঃ প্রফেসর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমা বেগম নাজু ( অবঃ) কবিতা || ঘরহীন ঘরের আর্তনাদ
কোথাও ঘর ছিল ভালবাসার এক চিলতে রোদ, ঘুঘুর ডাকের মত স্বজন দুপুর ছিল আলতো বিকেলে নুয়ে পড়া বাতাসের শীষ,

পলক রহমান এর কবিতা || পালাব কোথায়
পালাব কোথায় এই মাটির বুক ছেড়ে, যেখানে শিশির ভেজা ভোরে ভেসে আসে আজানের ধ্বনি, যেখানে ধানের গন্ধে মিশে আছে

লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর কবিতা ||হেমন্ত
হেমন্তে শিশির ভেজা সকাল সূর্যের আলো ঝিলমিল করে, শেষ রাতে কুয়াশা পড়ে শীতের আমেজ ভোরের বাতাসে। শরতের শেষে হেমন্ত

বিজলী মাজি’র কবিতা || নিঃসর্গ অভিমানী
নেই সেখানে,যেখানে তুমি শূন্যতা যেখানে, সেখানেই আমি । ভাবনা যখন ভবের আকাশে চাঁদ তখন মাথার উপরে । নীরবতার নিঃশব্দে

মোহাম্মদ সোলায়মান সহজ এর কবিতা || আগুনরে
বিবেক বুদ্ধিতে ধরেছে খুনে জ্বলছে শত হাজার কোটি টাকার সম্পদ আগুনে। কখনো ইপিজেড কখনো এয়ারপোর্ট আবার বঙ্গবাজার নিঃস্ব হতে







